শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অ্যালপভ বলেন, ‘ক্রেমলিনের সাথে ইউক্রেনের দ্বন্দ্বের প্রভাব গোটা বিশ্বের ওপরেই পড়বে। ওই তালিকায় ভারতও রয়েছে। তবে কেমন প্রভাব পড়বে, তা এখনই বলতে পারছি না। লেনদেন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে এর প্রভাব পড়তে পারে।
ইউক্রেন-রাশিয়া দ্বন্দ্বের প্রভাব গোটা বিশ্বের ওপরেই পড়বে। ভারতও বাদ যাবে না। নয়াদিল্লিকে এভাবেই হঁশিয়ারি দিলো মস্কো। তবে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে ঠিক কী কী নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে, তা স্পষ্ট করে বলেননি ভারতে নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত ডেনিস অ্যালপভ।’
পাশাপাশি অ্যালপভ জানান, উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধারই এখন মস্কোর লক্ষ্য। কিন্তু ওই সব এলাকায় লাগাতার গোলা বর্ষণ চলতে থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় লড়াই জারি থাকায় রাশিয়া থেকে পাঠানো বিশেষ দল সেখানে পৌঁছতে পারছে না। এর ফলে ভারতীয়দেরও উদ্ধার করা যাচ্ছে না। যেখানে যুদ্ধ হচ্ছে না, ভারতীয়দের সেখানে পৌঁছতে হবে। তা হলেই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব।’সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা;
‘ইউক্রেনকে ব্রিটিশ সাহায্য রাশিয়া ভুলবে না’
ইউক্রেনকে সমর্থন জানানোর জন্য ব্রিটেনের প্রতি সরাসরি আক্রমণ করে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, কিয়েভের সরকার কিংবা ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদী শক্তির সাথে ব্রিটিশ সহযোগিতার কথাটি রাশিয়া ভুলে যাবে না।’
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রচারিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যে উন্মাদনা তাতে লন্ডনের সরকার মূল ভূমিকা না হলেও নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছে।’ তিনি বলেন, ‘এর বিরুদ্ধে সমান ও কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।’
জেলেনস্কি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতের সাথেও কথা বলেন। এর সামান্য আগে বেনেত মস্কোতে তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে।
ইসরাইল যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র, কিন্তু তবুও রাশিয়ার সাথে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করে চলার চেষ্টা করেন বেনেত। জেলেনস্কির অনুরোধেই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার সঙ্ঘাতে মধ্যস্ততার প্রস্তাব দিয়েছে ইসরাইল।